বাণিজ্যিক আদালতে ব্যবসায়িকদের অধিকার (পর্ব-২৭):জাহাজ নির্মাণ, বিক্রি বা রপ্তানি সংক্রান্ত চুক্তি”সংক্রান্তে বাণিজ্যিক বিরোধ ও প্রতিকার

বাণিজ্যিক আদালত আইন, ২০২৬ এর ধারা ২(ঘ) তে "বাণিজ্যিক বিরোধ" (Commercial Dispute) এর সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। এই সংজ্ঞার অধীনে ২১ নম্বর উপদফা বা ধারা ২(ঘ)(২১) বিশেষভাবে "জাহাজ নির্মাণ, বিক্রি বা রপ্তানি সংক্রান্ত চুক্তি" (Shipbuilding, sale or export of ships) কে বাণিজ্যিক বিরোধ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়।

জাহাজ নির্মাণ একটি অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং দীর্ঘমেয়াদী প্রক্রিয়া, যেখানে বিশাল অংকের মূলধন বিনিয়োগ করা হয়। এই খাতের চুক্তিগুলো সাধারণত আন্তর্জাতিক মানদণ্ড (International Classification Society Standards) অনুযায়ী হয়। চুক্তির সামান্য বিচ্যুতি বিশাল আর্থিক ক্ষতির কারণ হতে পারে। এই নিবন্ধে আমরা ধারা ২(ঘ)(২১) এর আওতাভুক্ত বিরোধ এবং মামলার গ্রাউন্ডগুলো বিস্তারিত আলোচনা করব।

ধারা ২(ঘ)(২১) এর আওতাভুক্ত বিষয়সমূহ
এই ধারার অধীনে সাধারণত তিন ধরণের চুক্তিভিত্তিক সম্পর্কের বিরোধ দেখা যায়:
জাহাজ নির্মাণ চুক্তি (Shipbuilding Contracts): শিপইয়ার্ড এবং ক্রেতার মধ্যে জাহাজ তৈরির চুক্তি।
জাহাজ বিক্রয় চুক্তি (Sale/Purchase Agreements): জাহাজ কেনাবেচার চুক্তি (নতুন বা ব্যবহৃত)।
রপ্তানি সংক্রান্ত চুক্তি (Export Contracts): আন্তর্জাতিক বাজারে জাহাজ সরবরাহের চুক্তি।

বাণিজ্যিক বিরোধের ধরন এবং মামলা দায়েরের গ্রাউন্ড/কারণসমূহ

জাহাজ নির্মাণ বা বিক্রির ক্ষেত্রে বিরোধের প্রধান কারণগুলো হলো চুক্তির প্রযুক্তিগত শর্ত লঙ্ঘন, সময়সীমা অতিক্রান্ত হওয়া এবং আর্থিক লেনদেনের জটিলতা। নিচে প্রধান গ্রাউন্ডগুলো এবং বাস্তব উদাহরণ তুলে ধরা হলো:

জাহাজ নির্মাণ চুক্তি (Shipbuilding Contracts) সংক্রান্ত বিরোধ:
একটি জাহাজ নির্মাণের জন্য শিপইয়ার্ড (Shipbuilder) এবং ক্রেতার (Buyer) মধ্যে বিস্তারিত কারিগরি ও আর্থিক চুক্তি হয়। জাহাজ নির্মাণ একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া হওয়ায় এর মধ্যে নানা ধরনের জটিলতা ও বিরোধ দেখা দিতে পারে।

মামলা দায়েরের গ্রাউন্ড/কারণসমূহ:

হস্তান্তরে বিলম্ব (Delay in Delivery): চুক্তিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাহাজ নির্মাণ শেষ করে ক্রেতাকে বুঝিয়ে দিতে ব্যর্থ হওয়া।
নকশা ও স্পেসিফিকেশন থেকে বিচ্যুতি (Deviation from Specifications): চুক্তিতে উল্লেখিত নকশা, ইঞ্জিনের ক্ষমতা বা ব্যবহৃত স্টিলের মান অনুযায়ী জাহাজ নির্মাণ না করা।

নির্মাণ ব্যয় বৃদ্ধি (Cost Escalation): কাঁচামালের (যেমন- ইস্পাত) দাম বৃদ্ধির অজুহাতে শিপইয়ার্ড কর্তৃক মাঝপথে অন্যায্যভাবে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করা বা কাজ বন্ধ করে দেওয়া।


কিস্তির টাকা প্রদানে ব্যর্থতা (Default in Installment Payments): নির্মাণের বিভিন্ন ধাপে (যেমন- কীল লেয়িং, লঞ্চিং) ক্রেতা কর্তৃক শিপইয়ার্ডকে প্রতিশ্রুত কিস্তির টাকা প্রদান না করা।

বাস্তব উদাহরণ:
উদাহরণ ১ (ডেলিভারিতে বিলম্ব ও ক্ষতিপূরণ): 
'বঙ্গবন্ধু শিপইয়ার্ড লিমিটেড' একটি ইউরোপীয় শিপিং কোম্পানির জন্য ৫টি মালবাহী কার্গো জাহাজ নির্মাণের চুক্তি করে। চুক্তি অনুযায়ী প্রতিটি জাহাজ ২ বছরের মধ্যে হস্তান্তর করার কথা এবং দেরির জন্য প্রতিদিন ৫ হাজার ডলার 'লিকুইডেটেড ড্যামেজ' (Liquidated Damages) দেওয়ার শর্ত ছিল। শিপইয়ার্ড কারিগরি অদক্ষতার কারণে প্রথম জাহাজটি দিতেই ১ বছর দেরি করে ফেলে এবং ক্ষতিপূরণ দিতে অস্বীকৃতি জানায়। ইউরোপীয় কোম্পানিটি এই চুক্তিভঙ্গের গ্রাউন্ডে ধারা ২(ঘ)(২১) এর অধীনে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক আদালতে ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা করতে পারবে।

জাহাজ ক্রয়-বিক্রয় (Sale and Purchase of Ships) সংক্রান্ত বিরোধ:
নতুন বা ব্যবহৃত (Second-hand) জাহাজ ক্রয়-বিক্রয়ের ক্ষেত্রে সাধারণত 'মেমোরেন্ডাম অফ এগ্রিমেন্ট' (MOA) স্বাক্ষরিত হয়। এই ধরনের চুক্তিতে সম্পদের বিশাল মূল্যমানের কারণে একটু বিচ্যুতিতেই বড় বিরোধের সৃষ্টি হয়।

মামলা দায়েরের গ্রাউন্ড/কারণসমূহ:
লুক্কায়িত ত্রুটি গোপন করা (Latent Defects and Misrepresentation): 
ব্যবহৃত জাহাজ বিক্রির সময় জাহাজের ইঞ্জিন বা হালের (Hull) কোনো মারাত্মক ত্রুটি গোপন করে বিক্রি করা, যা পরে ক্রেতা আবিষ্কার করে।

মালিকানা হস্তান্তরে বাধা (Failure to Transfer Title/Encumbrance): 
জাহাজটি বিক্রি করা হলেও দেখা গেল ওই জাহাজের ওপর আগে থেকেই কোনো ব্যাংক লোন, মেরিটাইম লিয়েন (Maritime Lien) বা অন্য কোনো আইনি দায়বদ্ধতা রয়েছে, যার ফলে ক্রেতা পূর্ণ মালিকানা পাচ্ছে না।

ডেলিভারির সময় জাহাজের কন্ডিশন পরিবর্তন: 
চুক্তি স্বাক্ষরের সময় জাহাজ যে অবস্থায় ছিল, ডেলিভারি দেওয়ার সময় তার চেয়ে খারাপ অবস্থায় দেওয়া বা গুরুত্বপূর্ণ পার্টস খুলে রাখা।

বাস্তব উদাহরণ:
উদাহরণ (লুক্কায়িত ত্রুটি ও শর্তভঙ্গ): 
'পদ্মা নেভিগেশন' একটি ব্যবহৃত অয়েল ট্যাংকার ক্রয় করে সিঙ্গাপুরের একটি কোম্পানির কাছ থেকে। চুক্তিতে বলা ছিল জাহাজটি "অ্যাজ ইজ, হোয়ার ইজ" (যে অবস্থায় আছে) ভিত্তিতে বিক্রি হবে কিন্তু এটি সমুদ্রযাত্রার জন্য সম্পূর্ণ ফিট (Seaworthy)। কিন্তু কেনার এক মাস পরেই জাহাজের মূল ইঞ্জিনে বড় ফাটল দেখা দেয় এবং জানা যায় বিক্রেতা এটি টেম্পোরারি ওয়েল্ডিং করে ঢেকে রেখেছিল। এই জালিয়াতি এবং চুক্তির শর্তভঙ্গের গ্রাউন্ডে ক্রেতা কোম্পানি বাণিজ্যিক আদালতে চুক্তি বাতিল বা ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করতে পারবে।

প্রযুক্তিগত মান বা ডিজাইনের ত্রুটি (Defect in Specification or Design):
জাহাজ নির্মাণের সময় চুক্তিতে উল্লেখ থাকে যে এটি নির্দিষ্ট মান (যেমন- Lloyds Register বা DNV) অনুসরণ করবে। যদি নির্মাণের পর দেখা যায় যে জাহাজটি সেই মান বা কারিগরি স্পেসিফিকেশন পূরণ করতে পারছে না, তবে বিরোধের সৃষ্টি হয়।

মামলার গ্রাউন্ড/কারণ:
জাহাজের ইঞ্জিন, হুল (Hull) বা নেভিগেশনাল সিস্টেম চুক্তির শর্ত অনুযায়ী না হওয়া।
শিপইয়ার্ড কর্তৃক নিম্নমানের বা চুক্তির বাইরে অন্য কোনো যন্ত্রাংশ ব্যবহার করা।
সমুদ্রগামী জাহাজের ক্ষেত্রে 'ক্লাসিফিকেশন সোসাইটি'র সনদ লাভে ব্যর্থ হওয়া।

বাস্তব উদাহরণ : 
একটি বাংলাদেশি শিপইয়ার্ড একটি বিদেশি কোম্পানির জন্য কার্গো জাহাজ নির্মাণের চুক্তি করে। চুক্তিতে ইঞ্জিনের অশ্বশক্তি (Horsepower) এবং গতিবেগ সুনির্দিষ্ট ছিল। জাহাজ ডেলিভারির সময় সমুদ্র পরীক্ষায় দেখা যায়, ইঞ্জিনটি নির্ধারিত গতিবেগ তুলতে ব্যর্থ হচ্ছে। ক্রেতা জাহাজটি গ্রহণে অস্বীকৃতি জানান এবং চুক্তি ভঙ্গের জন্য বাণিজ্যিক আদালতে মামলা করেন।

সময়মতো ডেলিভারিতে ব্যর্থতা (Delay in Delivery):
জাহাজ নির্মাণে সময় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ক্ষেত্রে জাহাজ আসার অপেক্ষায় ক্রেতার বাণিজ্যিক কার্গো বুকিং থাকে। দেরি হওয়ার ফলে ক্রেতা ব্যাপক আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন।

মামলার গ্রাউন্ড/কারণ:
চুক্তিতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জাহাজ হস্তান্তর করতে না পারা (Breach of Delivery Schedule)।
ইচ্ছাকৃত গাফিলতি বা কাঁচামাল আমদানিতে বিলম্বের কারণে কাজের গতি কমে যাওয়া।
চুক্তিতে উল্লিখিত লিকুইডেটেড ড্যামেজ (Liquidated Damages) বা বিলম্বজনিত ক্ষতিপূরণ প্রদান না করা।

বাস্তব উদাহরণ: 
একটি রপ্তানিমুখী প্রতিষ্ঠান ২ বছরের মধ্যে জাহাজ সরবরাহের চুক্তি করে। কিন্তু ২ বছর পরও জাহাজের কাজ মাত্র ৬০% শেষ হয়। ক্রেতা এই বিলম্বের কারণে তার পূর্বনির্ধারিত শিপিং কন্ট্রাক্ট সম্পন্ন করতে পারেননি। ক্রেতা বাণিজ্যিক আদালতে বিলম্বজনিত লোকসান (Consequential Loss) এবং অগ্রিম অর্থ ফেরতের জন্য মামলা দায়ের করেন।

অর্থ প্রদান ও পেমেন্ট সংক্রান্ত বিরোধ (Disputes over Payment):
জাহাজ নির্মাণের বিল সাধারণত কিস্তিতে (Milestone Payments) পরিশোধ করা হয়। কাজের পর্যায় শেষ হওয়ার পর বিল নিয়ে বিরোধ দেখা দিতে পারে।

মামলার গ্রাউন্ড/কারণ:
চুক্তিমতো কাজের ধাপ সম্পন্ন হওয়া সত্ত্বেও ক্রেতা কর্তৃক কিস্তির টাকা প্রদান না করা।
এলসি (L/C) সংক্রান্ত জটিলতা বা ব্যাংকিং ত্রুটির কারণে পেমেন্ট আটকে যাওয়া।
অতিরিক্ত কাজ (Variation Order) বাবদ বকেয়া পাওনা নিয়ে বিরোধ।

বাস্তব উদাহরণ : 
শিপইয়ার্ড জাহাজের কাঠামো তৈরি সম্পন্ন করে দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ দাবি করে। কিন্তু ক্রেতা দাবি করেন যে, কাজের মান সন্তোষজনক নয় এবং তিনি পেমেন্ট আটকে দেন। শিপইয়ার্ড তখন তাদের কাজের প্রমাণ (Surveyor's report) দাখিল করে বাণিজ্যিক আদালতে বকেয়া পাওনা আদায়ের জন্য মামলা করে।

মালিকানা হস্তান্তর ও টাইটেল সংক্রান্ত বিরোধ (Title and Ownership Disputes):
জাহাজটি হস্তান্তরের সময় যথাযথ নথিপত্র এবং টাইটেল হস্তান্তর না করা হলে আইনি বিরোধ তৈরি হয়।

মামলার গ্রাউন্ড/কারণ:
বিক্রয়মূল্য পরিশোধের পর জাহাজটি ক্রেতার নামে রেজিস্ট্রেশন বা টাইটেল হস্তান্তর না করা।
জাহাজটির ওপর পূর্বের কোনো দায় (Lien) বা ঋণের বোঝা গোপন রাখা।

বাস্তব উদাহরণ : 

একটি কোম্পানি একটি ব্যবহৃত জাহাজ ক্রয় করে। সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধের পর দেখা যায়, ওই জাহাজের বিরুদ্ধে শিপইয়ার্ডের অন্য কোনো পাওনাদার ইতিমধ্যে আদালতে মামলা করে রেখেছে এবং জাহাজের ওপর 'লিয়েন' দাবি করছে। ক্রেতা তখন ওই দায়মুক্ত হওয়ার জন্য এবং মালিকানা নিশ্চিত করতে বাণিজ্যিক আদালতের দ্বারস্থ হন।

বিক্রয়োত্তর গ্যারান্টি বা পারফরম্যান্স ওয়ারেন্টি (Performance Warranty) বিরোধ:
জাহাজ হস্তান্তরের পরেও সাধারণত ১২ থেকে ২৪ মাসের একটি গ্যারান্টি পিরিয়ড থাকে। এছাড়া জাহাজের স্পিড বা জ্বালানি খরচের ওপর সুনির্দিষ্ট ওয়ারেন্টি থাকে।

মামলা দায়েরের গ্রাউন্ড/কারণসমূহ:
স্পিড বা কনজাম্পশন গ্যারান্টি ব্যর্থ হওয়া: চুক্তিতে বলা ছিল জাহাজটি ১৫ নটিক্যাল মাইল বেগে চলবে এবং দৈনিক নির্দিষ্ট পরিমাণ জ্বালানি পোড়াবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেল জাহাজ ১২ নট বেগের বেশি চলতে পারে না বা জ্বালানি বেশি পোড়াচ্ছে, যা ক্রেতার দীর্ঘমেয়াদি বাণিজ্যিক ক্ষতি।

গ্যারান্টি পিরিয়ডে মেরামত করতে অস্বীকৃতি: 
ডেলিভারির পর প্রথম এক বছরের মধ্যে জাহাজের জেনারেটর বা অন্য কোনো পার্টস নষ্ট হলে শিপইয়ার্ড তা বিনামূল্যে মেরামত বা রিপ্লেস করে দিতে অস্বীকৃতি জানালে।

বাস্তব উদাহরণ:
উদাহরণ (পারফরম্যান্স ওয়ারেন্টি বিরোধ): 
একটি দেশীয় কোম্পানি একটি শিপইয়ার্ড থেকে নতুন যাত্রীবাহী লঞ্চ বানাল। চুক্তিতে গ্যারান্টি ছিল লঞ্চটি নির্দিষ্ট আরপিএম-এ (RPM) ঘণ্টায় ২০ কিলোমিটার বেগে চলবে। কিন্তু পানিতে নামানোর পর দেখা গেল ডিজাইন ফোল্টের কারণে এটি ১৫ কিলোমিটারের বেশি গতি তুলতে পারছে না। ফলে মালিকের প্রতিদিনের ট্রিপ কমে যাচ্ছে এবং ব্যবসায়িক ক্ষতি হচ্ছে। এই পারফরম্যান্স ওয়ারেন্টি ভঙ্গের গ্রাউন্ডে মালিক বাণিজ্যিক আদালতে ক্ষতিপূরণ (Damages for Breach of Warranty) চেয়ে মামলা করতে পারবেন।

উপসংহার:
বাণিজ্যিক আদালত আইন, ২০২৬ এর ধারা ২(ঘ)(২১) জাহাজ নির্মাণ শিল্পের মতো একটি জটিল ও মূলধন-নির্ভর খাতের সুরক্ষায় অত্যন্ত সময়োপযোগী। জাহাজ নির্মাণ চুক্তি, ডেলিভারি বিলম্ব, কারিগরি ত্রুটি বা অর্থ প্রদান সংক্রান্ত বিরোধগুলো এখন বিশেষায়িত বাণিজ্যিক আদালতে দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব। এই আইনি সুরক্ষা দেশের জাহাজ রপ্তানি খাতকে আন্তর্জাতিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক ও নির্ভরযোগ্য করে তুলবে।

মোঃ কামরুজ্জামান
অ্যাডভোকেট
বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
ফোন: +৮৮০১৯৭১৯৯৩৬৩৯
ইমেইল: lawyer.kamruzzaman@gmail.com