বাংলাদেশ ব্যাংকের স্পেশাল এক্সিট বা One Time Exit বা সুদ মওকুফের সার্কুলার মানছেনা ব্যাংকগুলো, এখন করণীয় কী?
আমি আজকে আপনাদেরকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় জানিয়ে দেবার চেষ্টা করছি, সেটি হচ্ছে যে— আপনারা ইতোমধ্যেই জানেন যে, Bangladesh Bank একটি circular জারি করে অনাদায়ী ঋণ সমন্বয়ের জন্যে বিশেষ exit সুবিধা প্রদান করেছে, এককালীন ঋণ সুবিধা প্রদান করেছে, অর্থাৎ One Time Exit-এর সুবিধা দিয়েছে।
এতে বলা হয়েছে যে, আরোপিত ও অনারোপিত ঋণ সুদ মওকুফের কথা বলা হয়েছে এবং সমুদয় ঋণ এককালীন পরিশোধের কথা বলা হয়েছে। এখানে এই circular-টিকে কেন্দ্র করে ব্যাংকগুলোর তরফ থেকে একটি ধূম্রজাল সৃষ্টি করা হয়েছে, একটি অস্পষ্টতা সৃষ্টি করা হয়েছে। আজকে আপনাদেরকে সেই অস্পষ্টতা দূর করে দিব। সেই অস্পষ্টতা সৃষ্টি হয়েছে যে শব্দগুলো থেকে, সেগুলো হচ্ছে যে, সেই circular-এর মধ্যে দুটো শব্দ আছে, সেটি হচ্ছে যে ‘ব্যাংক এবং গ্রাহকের সম্পর্কের ভিত্তিতে। এই শব্দটিকে যেনতেনভাবে নিজের মত করে। একেকটি ব্যাংক একেকভাবে, এক ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা বিভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করছে। ব্যাংকগুলো এগুলো করতে পারে কি পারে না, সে সংক্রান্তে আজকে আপনাদেরকে বলবার চেষ্টা করব। তবে এই অস্পষ্টতাটি দূর করবার আগে আসুন আমরা একটি বিষয় জেনে নেই, সেটি হচ্ছে যে, number one, এই যে ঋণ মওকুফ করার নির্দেশনাটি কে জারি করতে পারে? কার জারি করার ক্ষমতা আছে? এই নির্দেশনা জারি করবার ক্ষমতা কি ব্যাংকগুলোর আছে, নাকি Bangladesh Bank-েরই এ ক্ষমতা আছে এই নির্দেশনা জারি করবার? এই নির্দেশনা জারি করবার ক্ষমতা কার আছে সেটি আইন বলে দিয়েছে।
ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৯(১)(চ) ধারায় সুদ মওকুফের নির্দেশ দেওয়ার ক্ষমতা Bangladesh Bank-এর হাতে রয়েছে। Bangladesh Bank-এর একটি বিভাগ রয়েছে এ সংশ্লিষ্টে, সেটি হচ্ছে যে BRPD, Banking Regulation and Policy Department, অর্থাৎ Banking Regulation, অর্থাৎ ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি সংক্রান্তে। এই Bangladesh Bank সিদ্ধান্ত নিবে। অর্থাৎ দাঁড়াল এই যে, ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১-এর ৪৯(১)(চ) ধারা অনুযায়ী Bangladesh Bank সুদ মওকুফের নির্দেশনা দেওয়ার ক্ষমতা রাখে। এবং এই ক্ষমতাটি শুধু রাখেই না, এখানে একটি শব্দ অত্যন্ত কঠিনভাবে বলে দেওয়া হয়েছে, সেটি হচ্ছে যে, শুধু ঋণ মওকুফের নির্দেশনা দেওয়ার ক্ষমতাই দিতে পারে না, বরং এটি Bangladesh Bank বাধ্যকর করে দিতে পারে।
Compulsory শব্দটি এই আইনের মধ্যে স্পষ্ট করে বলে দেওয়া হয়েছে। তাহলে আজকের যেই circular-টির কথা বলছি, সেটি মান্য করার, সেটি অন্যান্য ব্যাংকগুলো মান্য করা বাধ্যকর। এখন দেখা যাচ্ছে যে, অন্যান্য ব্যাংকগুলো এই circular-টি মান্য করছে না। একেক ব্যাংক একেক রকম করে ব্যাখ্যা দিচ্ছে, এক ব্যাংকের বিভিন্ন শাখা বিভিন্ন রকম করে ব্যাখ্যা দিচ্ছে। তাহলে এই যে অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছে ব্যাংকগুলোর তরফে, সেটাই পরিষ্কার করার চেষ্টা করছি। সারাদেশ থেকে আমাদের client থেকে আমরা জানতে পারছি, আমাদের অসংখ্য client রয়েছে সারাদেশে, তাদের মারফতে আমরা জানতে পারছি যে, ব্যাংকগুলো, অধিকাংশ ব্যাংকই Bangladesh Bank-এর এই circular মান্য করছে না। শুধু মান্যই করছে না, একেক ভাবে ব্যাখ্যা দিচ্ছে।
বিশেষ করে এই দুটি শব্দ, ‘ব্যাংক ও গ্রাহকের সম্পর্কের ভিত্তি, এই শব্দগুলো ভুল ব্যাখ্যা করছে। এখন ব্যাংকগুলো এই শব্দটির ভুল ব্যাখ্যা করতে পারে কিনা বা নিজের মত করে ব্যাখ্যা করতে পারে না, সেটিই প্রশ্ন। না, ব্যাংকগুলো এই শব্দটিকে ব্যাখ্যা করতে পারে না নিজেদের মত করে। একেক ব্যাংক একেক রকম করে ব্যাখ্যা দিতে পারে না। এটি একটি সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা থাকতে হবে। সেটি কেন বলছি? সেটি হচ্ছে এই যে, আজকের যে notification-টির কথা বলছি, সেই notification-টি সাধারণ কোনো notification নয়। আইনের দৃষ্টিতে এটি একটি আইন। বাংলাদেশ সংবিধানের 152 article অনুযায়ী এটি একটি আইন, এবং আইনের মধ্যে যেই শব্দগুলো আছে, সেই শব্দগুলোর ব্যাখ্যা কে দিতে পারে? কার কর্তৃত্ব আছে? হ্যাঁ, এটি দিতে পারে মহামান্য High Court বিভাগ এ ব্যাখ্যা দিতে পারে। High Court বিভাগের ব্যাখ্যাই চূড়ান্ত ব্যাখ্যা হিসেবে পরিগণিত হবে। ব্যাংকগুলো নিজেদের মত করে ব্যাখ্যা দিতে পারবে না, এমনকি Bangladesh Bank-ও নিজেদের মত করে ব্যাখ্যা দিতে পারবে না। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী তাহলে এই যে দুটি শব্দ, এই শব্দ শব্দটির ব্যাখ্যাকারী হবে মহামান্য High Court বিভাগ।
এখন বাংলাদেশের Supreme Court যেই ব্যাখ্যা দিবে, সেই ব্যাখ্যাই মানতে হবে সবাইকে। আমরা জানি যে ‘ব্যাংক এবং সম্পর্কের ভিত্তি এই শব্দটি বা এই শব্দগুচ্ছটির ব্যাখ্যা কিংবা সংজ্ঞা বাংলাদেশের কোনো আইনে দেওয়া নেই। তাহলে এই আইনের ব্যাখ্যাটি দিবে কে? এই আইনের ব্যাখ্যাটি দিবে বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী বাংলাদেশের High Court বিভাগ। High Court বিভাগেরই একমাত্র এখতিয়ার আছে কোনো আইনের ব্যাখ্যা করার।
বিশেষ করে যখন কোনো আইনের কিংবা কোনো শব্দগুচ্ছের ব্যাখ্যা সংক্রান্তে দ্বন্দ্ব থাকে কিংবা ব্যাখ্যার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়, অস্পষ্টতা আছে, সেই অস্পষ্টতার জায়গা স্পষ্ট করবে High Court বিভাগ। High Court বিভাগ যদি ইতিপূর্বে এ সংক্রান্তে কোনো ব্যাখ্যা না দিয়ে থাকে, তাহলে আমরা সেই ব্যাখ্যাটি নিতে পারি Indian High Court থেকে, Pakistan High Court থেকে, Sri Lankan High Court থেকে, কিংবা যুক্তরাজ্য থেকে। তাহলে দাঁড়াল এই যে, এই শব্দ দুটির ব্যাখ্যা যথেচ্ছভাবে দেওয়া যাবে না, এটি দিতে গেলে আইনি প্রক্রিয়ায় দিতে হবে। আশা করছি এ সংক্রান্তে যে অস্পষ্টতা ছিল, সেটি দূর হলো।
এখন আমরা যেটি বলব, সেটি হচ্ছে আপনাদের করণীয় কী। এই circular অনুযায়ী যারা আবেদন করেছেন করেছেন, যারা আবেদন করেননি দ্রুত আবেদন করবেন। আপনারা জানেন যে ৩১শে ডিসেম্বর, ২০২৬ পর্যন্ত এর মেয়াদ আছে। শেষ পর্যন্ত নিবেন না, এখনই, এ সপ্তাহের মধ্যেই আবেদন করে ফেলবেন। এজন্যেই আবেদন করতে হবে কারণ এখানে কিছু কৌশলগত দিক আছে, সেজন্য এই সপ্তাহের মধ্যেই আবেদন করে ফেলবেন।
এখন আবেদন করতে গেলে যে কয়েকটি কথা মনে রাখবেন, সেটি হচ্ছে যে— number one, আপনি আবেদনটি ঠিকঠাকমত করবেন এবং আবেদনটি করতে গিয়ে এই আবেদনের মধ্যে আপনি বলবেন যে আপনি কি পদ্ধতিতে, কি source থেকে এই টাকাটি এককালীন পরিশোধ করবেন। সংক্ষেপে, খুবই সংক্ষেপে এ কথাটি বলবেন, যে আমি এই এই ভাবে, এই পদ্ধতিতে, এই source-এর মাধ্যমে এই এককালীন এ টাকাটি পরিশোধ করব। ধরুন আপনি ঠিকঠাকমত আবেদন করেছেন, কিন্তু ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আপনার এ আবেদনটি নাকচ করে দিয়েছে, নামঞ্জুর করে দিয়েছে।
তখন আপনি যেটি করবেন, সেটি হচ্ছে যে written নামঞ্জুরটি নিবেন, কিংবা আপনি যে প্রত্যাখ্যাত হলেন, সেটি লিখিতভাবে নিবেন। যদি লিখিতভাবে না দেয়, তাহলে যে কাজটি করবেন, সেটি হচ্ছে যে, তখন বলবেন যে, এই যে আমার আবেদনটি, এখানে আপনি reject seal দিয়ে দেন, অথবা reject লিখে দেন, অথবা মঞ্জুর হলো না এই মর্মে একটি শব্দ লিখে দেন, একটি লাইন লিখে দেন। যদি এটিও না করে, তাহলে আমাদেরকে আইনি প্রক্রিয়ায় যেতে হবে। আমাদেরকে আইনি প্রক্রিয়ায় আমরা যেটা করি, যে তাদেরকে notice দেই, Bangladesh Bank-কে notice দেই, ইত্যাদি— এই notice-এর মাধ্যমে, justice demand notice- এর মাধ্যমে ইত্যাদির মাধ্যমে আমরা এই gap-টি আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পূরণ করি। তাহলে দাঁড়াল এই যে, আপনারা ঠিকঠাকমত আবেদন করবেন। আবেদন করবার পর যদি সেটি প্রত্যাখ্যাত হয়, reject হয়, reject-এর written paper নিবেন, না হলে seal নিবেন, না হলে কোনো ধরনের একটি প্রমাণপত্র নেওয়ার চেষ্টা করবেন। যদি সেটি না দেয়, তাহলে অসুবিধা নেই, আমরা আইনি প্রক্রিয়ায় সেই gap-টি পূরণ করতে পারা যায়।
তো ধরুন ঠিকঠাকমত আবেদন করেছেন branch-এ, এখন যে কাজটি করবেন, সেটি হচ্ছে যে এই branch থেকে এই file-টি, এই আবেদনটি পাঠাতে বলবেন পরিচালনা পর্ষদে। যদি সংশ্লিষ্ট ব্যাংক পাঠাতে নারাজই হয়, তাহলে আপনি বলবেন যে আমার এই আবেদনটি মঞ্জুর হোক অথবা নামঞ্জুর হোক, সেটি পরিচালনা পর্ষদ বুঝবে, আপনি দয়া করে এটি পাঠিয়ে দেন। তাহলে আপনি যিনি আবেদনটি করছেন, আপনি এই আপনার সংশ্লিষ্ট branch-কে বারবার করে বলবেন যে, এটি আপনি সরাসরি নামঞ্জুর না করে আপনি পরিচালনা পর্ষদে পাঠিয়ে দিন, সেটি সেখান থেকে নামঞ্জুর হয়ে আসুক। তাহলে এভাবে আবেদন করবেন এবং নামঞ্জুরের বিষয়টি এভাবে দেখবেন।
এরপর আপনি কি করবেন? ধরুন আপনি আবেদন করলেন, প্রত্যাখ্যাত হলেন, তারপর আপনি কি করবেন? তারপর যে কাজটি আপনাকে করতে হবে, সেটি হলো মহামান্য High Court বিভাগে আসবেন, এসে writ petition দায়ের করবেন। Writ petition দায়েরের মধ্য দিয়ে আপনার যেই আইনগত অধিকার জন্ম নিয়েছিল সেটি আদায় করে নিবেন। তাহলে আপনার প্রতিকার আছে মহামান্য High Court বিভাগে writ petition দায়ের করার মাধ্যম দিয়ে। কেন আপনাকে মহামান্য High Court বিভাগে এসে writ petition দায়ের করতে হবে? কারণ হচ্ছে, যখন আপনি এই notification-এর মাধ্যমে, অর্থাৎ notification একটি আইন এখন, এই আইন অনুযায়ী যদি আপনি প্রতিকার না পান, ব্যাংকগুলো যদি আপনার আইনগত অধিকার পেতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, বঞ্চিত করে আপনাকে, তখন আপনার last resort হচ্ছে, আপনার সর্বশেষ জায়গা হচ্ছে মহামান্য High Court বিভাগে এসে writ petition দায়ের করা। এখানে যখন আপনি writ petition দায়ের করবেন, তখন ব্যাংকগুলোকে এসে বলতে হবে, ঐ যে তাদের যে ব্যাখ্যাটি, যে হচ্ছে ব্যাংক এবং গ্রাহকের সম্পর্কের যে ভিত্তিটি, সেই ভিত্তির ব্যাখ্যাটি এখানে যেনতেনভাবে দিতে পারবে না। এখানে যথাযথ ব্যাখ্যাই তাদেরকে দিতে হবে। তাহলে আইন অনুযায়ী প্রতিকার পেতে আপনাকে সর্বশেষ, last but not the least, মহামান্য Supreme Court-এ এসে writ petition দায়ের করতে হবে। এর মধ্য দিয়ে আপনি আপনার One Time Exit বা বিশেষ exit সুবিধাটি আদায় করে নিতে পারেন।
তাহলে আমি যে তিনটি বিষয় বললাম, সে তিনটি বিষয়ের সারসংক্ষেপ হলো এই যে— সুদ মওকুফ করার নির্দেশ প্রদান করার ক্ষমতাকারী কর্তৃপক্ষ হচ্ছে Bangladesh Bank এবং ব্যাংকগুলো, দুই নাম্বারে যেটি বলেছি, যে ব্যাংকগুলো যে অস্পষ্টতা তৈরি করেছে সেটি তারা করতে পারে না, তারা নিজেদের মত করে ব্যাখ্যা করতে পারে না। এ ব্যাখ্যাটি দেওয়ার চূড়ান্ত কর্তৃপক্ষ হচ্ছে High Court বিভাগ। এবং তিন নাম্বারে যেটি বলেছি, সেটি হচ্ছে যে আপনারা ঠিকঠাক মত আবেদন করবেন এবং সেই আবেদনের মধ্যে বলে দিবেন যে আপনি কিভাবে পরিশোধ করবেন, পদ্ধতিটি বলবেন। ঠিকঠাক মত আবেদন করবার পর আবেদনটি নাকচ হলে সে record রাখবেন, নামঞ্জুরের কাগজ রাখবেন, না হলে seal, যদি না হয়, তাহলে সেটি আইনি প্রক্রিয়ায় সেটিকে cover-up করা যাবে। সেই সাথে আরেকটি বিষয় বলেছি যে, এই আপনার আবেদনটি পরিচালনা পর্ষদ পর্যন্ত আপনি পাঠানোর চেষ্টা করবেন, চেষ্টা করবেন যে পরিচালনা পর্ষদ হয়ে নামঞ্জুর হয়ে আসুক। তাহলে সর্বশেষ আপনার যে প্রতিকার, সেটি হচ্ছে যে আপনি যদি আবেদন করে প্রত্যাখ্যাত হন, তাহলে আপনি মহামান্য High Court বিভাগে এসে writ petition দায়ের করবেন। এই notification-এর মাধ্যমে যে আইনি অধিকার আপনার জন্ম নিয়েছে, সেটি আপনি আদায় করতে পারবেন। তাহলে যে তিনটি বিষয় বললাম, দয়া করে আপনারা এ তিনটি বিষয় খেয়াল রাখবেন। এবং এ সংক্রান্তে আমরা আরও পর্ব আকারে বলবার চেষ্টা করছি। এই সার্কুলার ২৩ এর মধ্যে খুঁটিনাটি তথ্য, শর্ত, কে পাবে, কারা পাবে, কিভাবে আবেদন করতে হবে, কোন কোন শর্তের ভিত্তিতে করতে হবে ইত্যাদি এ সংক্রান্তে যত তথ্য আছে, এগুলো আমরা আস্তে আস্তে পর্ব আকারে আসব। আজকের যে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো ছিল, আমাদের client-রা সারাদেশ থেকে আমাদেরকে যে তথ্যগুলো দিচ্ছিল, আমরা ভেবেছি যে এই বিষয়গুলো আমাদের client সহ সবাইকে জানিয়ে দেওয়া দরকার, যেহেতু আমরা ব্যাংকের বিরুদ্ধে আপনাদের অধিকার নিয়ে কাজ করছি। আমাদের সাথে থাকুন, দেখতে থাকুন আমাদের পর্বগুলো। আল্লাহ হাফেজ।
ব্যারিস্টার মোঃ কামরুজ্জামান
অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
এবং
মৌলিক অধিকার কর্মী।
ফোন: +8801771-5995577
ইমেইল: lawyer.kamruzzaman@gmail.com