রাজউক সংক্রান্তে হাইকোর্টে রীট (পর্ব- ১২): নির্মাণকাজ বন্ধের নোটিশ (Stop Work Notice) কে চ্যালেঞ্জ
রাজধানী ঢাকা ও এর আশেপাশে নিজস্ব জমিতে বৈধ অনুমোদন (Approved Plan) নিয়ে ভবন নির্মাণ শুরু করার পরও অনেক মালিক হঠাৎ করেই রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) থেকে “নির্মাণকাজ বন্ধের নোটিশ (Stop Work Notice)” পেয়ে থাকেন। অনেক সময় রাজউকের পরিদর্শকরা এসে মৌখিকভাবে কাজ বন্ধ করতে বাধ্য করেন বা পুলিশ নিয়ে এসে আতঙ্ক তৈরি করেন। এ ধরনের নির্দেশনার কারণে নির্মাণাধীন প্রজেক্ট থমকে যায়, ব্যাংকের ঋণের সুদ বাড়তে থাকে এবং মালিক চরম আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হন।
The Building Construction Act, 1952 এর Section 3B এর অধীনে রাজউক এই নির্মাণকাজ বন্ধের নির্দেশ প্রদান করে। কিন্তু সাধারণ মানুষের মনে রাখা প্রয়োজন যে, রাজউকের এই ক্ষমতা সীমাহীন বা যথেচ্ছ (Arbitrary) নয়। আইনের সুনির্দিষ্ট উপধারাগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, একটি নির্দিষ্ট আইনি প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে রাজউক বিনা কারণে কাজ বন্ধ রাখতে পারে না। রাজউক আইনের অপপ্রয়োগ বা কালক্ষেপণ করলে বাংলাদেশ সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদের অধীনে হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়ের করে নির্মাণকাজ পুনরায় চালুর আদেশ (Direction/Mandamus) পাওয়া সম্ভব।
নিম্নে আইনের সুনির্দিষ্ট ধারা, বাস্তব উদাহরণ ও বিচারিক নজিরের (Judicial Precedents) আলোকে রিট দায়েরের প্রধান গ্রাউন্ডগুলো আলোচনা করা হলো:
যথাযথ নোটিশ ছাড়া মৌখিক বা পুলিশি হয়রানি (Section 3B(1) ও 3B(2)):
আইনের বিধান: রাজউকের পরিদর্শক বা অথরাইজড অফিসার প্রায়ই নির্মাণ সাইটে গিয়ে মৌখিকভাবে কাজ বন্ধ করার জন্য বলেন, মৌখিক নোটিশ দেন। আইনে মৌখিক নোটিশ দেওয়ার কোন বিধান নাই, মৌখিক নোটিশের আইনগত কোন ভিত্তি নাই। Section 3B(2) অনুযায়ী কাজ বন্ধের নির্দেশ তখনই আইনি বৈধতা পাবে, যখন তা Section 3B(1) এর অধীনে একটি লিখিত নোটিশের মাধ্যমে দেওয়া হবে এবং সেই নোটিশে ন্যূনতম ৭ দিনের কারণ দর্শানোর (Show Cause) সময় দেওয়া থাকবে।
রিটের গ্রাউন্ড: রাজউকের পরিদর্শক বা অথরাইজড অফিসার যদি কোনো লিখিত নোটিশ ইস্যু না করে কেবল সাইটে এসে মৌখিকভাবে কাজ বন্ধ করতে বলেন, বা পুলিশ দিয়ে জোরপূর্বক শ্রমিকদের বের করে দেন, তবে তা সম্পূর্ণ এখতিয়ার বহির্ভূত (Without Jurisdiction)। লিখিত নোটিশ ছাড়া কাজ বন্ধ করা প্রশাসনিক আইনের চরম লঙ্ঘন এবং রিট এখতিয়ারে এর বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক স্থগিতাদেশ (Stay) পাওয়া যায়।
Stop Work নির্দেশের পূর্বে নোটিশ:
Authorised Officer বা রাজউক কমিটি কোন নির্মাণকাজ অপসারণ করার নির্দেশ দেওয়ার পূর্বে, অথবা কোন ইমারত বা এর কোনো অংশ ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দেওয়ার পূর্বে, অথবা খননকৃত পুকুর বা জলাশয়ের এর কোনো অংশ ভরাট করে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়ার পূর্বে কারণ দর্শানোর নোটিশ ইস্যু করার আইনগত আবশ্যকতা রয়েছে।
কারণ দর্শানোর নোটিশ ও নোটিশের বিষয়বস্তুর বাধ্যবাধকতা:
3B(1)(b) ধারা মোতাবেক কারণ দর্শানোর নোটিশ দিবেন, নোটিশে কমপক্ষে সাত দিনের সময় উল্লেখ করবেন, এবং 3B(1)(b)(i)(ii)(iii) অনুযায়ী বিষয়গুলো সংক্রান্তে কারণ দর্শানোর কথা নোটিশে উল্লেখ থাকতে হবে। নোটিশে 3B(1)(b)(i) মতে ইমারত বা এর কোনো অংশ, তা নির্মিত হোক বা নির্মাণাধীন হোক, যা নোটিশে নির্দিষ্ট করা থাকবে, তা কেন অপসারণ বা ভেঙে ফেলা হবে না মর্মে কারণ দর্শানোর কথা উল্লেখ করতে হবে; অথবা 3B(1)(b)(ii) মতে নোটিশে নির্দিষ্টকৃত পুকুর বা এর কোনো অংশ, তা খননকৃত হোক বা খননাধীন হোক, কেন তা ভরাট করা হবে নামর্মে কারণ দর্শানোর কথা উল্লেখ করতে হবে; অথবা 3B(1)(b)(iii) মতে নোটিশে ইমারতের অধিকতর নির্মাণ বা পুনর্নির্মাণ, পরিবর্ধন বা পরিবর্তন, পুকুরের অধিকতর খনন বা পুনঃখনন কেন বন্ধ করা হবে না মর্মে কারণ দর্শানোর কথা উল্লেখ করতে হবে। রাজউক এই প্রক্রিয়া বা প্রক্রিয়ার কোন স্তর লঙ্ঘন করলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়ের করে প্রতিকার পেতে পারেন।
ন্যূনতম ৭ দিনের নোটিশ না দেওয়া:
আইনি বিধান অনুযায়ী, কোনো ইমারত যদি অনুমোদন ছাড়া বা অনুমোদিত নকশার শর্ত ভঙ্গ করে নির্মিত হয়, তবে অথরাইজড অফিসার সংশ্লিষ্ট মালিক বা দখলদারকে কারণ দর্শানোর (Show Cause) নোটিশ দেবেন। আইনে স্পষ্টভাবে বলা আছে, এই নোটিশের সময়সীমা হবে "not being less than seven days" (৭ দিনের কম নয়)।
রিটের গ্রাউন্ড: রাজউক যদি নোটিশে ৭ দিনের কম সময় দেয় (যেমন- ২৪, ৪৮ বা ৭২ ঘণ্টা), তবে তা Section 3B(1) এর সরাসরি লঙ্ঘন। এটি রিট করার একটি অত্যন্ত সুনির্দিষ্ট এবং শক্তিশালী গ্রাউন্ড।
বাস্তব উদাহরণ: বনানীতে একজন মালিককে বৃহস্পতিবার নোটিশ দিয়ে বলা হলো রোববারের মধ্যে নিজ দায়িত্বে নকশা-বহির্ভূত অংশ ভেঙে ফেলতে। এখানে ৭ দিনের আইনি সময়সীমা মানা হয়নি বিধায় এই নোটিশটি হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে তাৎক্ষণিক স্থগিতাদেশ পাওয়া সম্ভব।
শুনানীর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ (reasonable opportunity of being heard) এর বাধ্যবাধকতা:
3B(1)(b)(i)(ii)(iii) অনুযায়ী দর্শানো কারণ বিবেচনায় নিতে হবে, এবং 3B(3) মোতাবেক কারণ দর্শানো ব্যক্তিকে শুনানির যুক্তিসঙ্গত সুযোগ প্রদান করতে হবে (reasonable opportunity of being heard)। রাজউক এই শুনানীর যুক্তিসঙ্গত সুযোগ না দিলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়ের করে প্রতিকার পেতে পারেন।
আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ না দেওয়া এবং কারণ উল্লেখ না করা:
আইনি বিধান অনুযায়ী, মালিক যদি কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দেন, তবে অথরাইজড অফিসারকে অবশ্যই জবাবটি বিবেচনা করতে হবে (considering the cause shown)। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে "শুনানির যুক্তিসঙ্গত সুযোগ" (reasonable opportunity of being heard) দিতে হবে। নির্দেশ প্রদানের ক্ষেত্রে লিখিতভাবে কারণ উল্লেখ করতে হবে (by an order in writing stating reasons therefore)।
রিটের গ্রাউন্ড: নোটিশের জবাব দেওয়ার পরও যদি রাজউক কোনো শুনানি না করে এবং জবাবটি কেন গ্রহণযোগ্য নয় তার সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ না করে (Non-speaking Order) গৎবাঁধা নির্দেশে ভবন ভাঙতে আসে, তবে তা Section 3B(3) এবং প্রাকৃতিক ন্যায়বিচারের 'Audi Alteram Partem' (অপর পক্ষকে শোনো) নীতির চরম লঙ্ঘন। সুপ্রিম কোর্টের অসংখ্য নজির রয়েছে যে, 'Speaking Order' ছাড়া কোনো উচ্ছেদ বা অপসারণ নির্দেশ টিকতে পারে না।
অনুসন্ধান (enquiry) বাধ্যবাধকতা:
নোটিশে উল্লেখিত সময়ের মধ্যে কোনো কারণ দর্শানো না হলে, Authorised Officer বা কমিটি আইনানুগভাবে অনুসন্ধান (enquiry) করবেন। অনুসন্ধান (enquiry) করে দেখবেন যে, ধারা ৩-এর অধীন অনুমোদন না নিয়ে নির্মাণ, পুন:নির্মাণ, সংযোজন, পরিবর্তন, খনন বা পুন:খনন করা হয়েছে বা হচ্ছে কি-না, অথবা উক্ত ধারার অধীন প্রদত্ত অনুমোদনের কোনো শর্ত ভঙ্গ করে ইমারত নির্মাণ বা পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে বা হচ্ছে কি-না, অথবা ইমারতের পরিবর্ধন বা পরিবর্তন করা হয়েছে বা হচ্ছে কি-না, অথবা পুকুর খনন বা পুনঃখনন করা হয়েছে বা হচ্ছে কি-না। রাজউক আইনানুগভাবে অনুসন্ধান (enquiry) না করলে বা এই প্রক্রিয়া অনুসরণ রা করলে সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি মহামান্য হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়ের করে প্রতিকার পেতে পারেন।
১৫ দিনের আইনি সময়সীমা লঙ্ঘন (Section 3B(4) এর চরম লঙ্ঘন):
আইনের বিধান: এটি রিট করার সবচেয়ে শক্তিশালী ও অকাট্য গ্রাউন্ড। Section 3B(1) এর অধীনে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিলে, Section 3B(2) অনুযায়ী মালিককে তাৎক্ষণিকভাবে কাজ বন্ধ রাখতে হয়। কিন্তু মালিক যদি নির্ধারিত সময়ে নোটিশের জবাব দাখিল করেন, তবে Section 3B(4) অনুযায়ী রাজউকের অথরাইজড অফিসারকে জবাব পাওয়ার মাত্র ১৫ দিনের মধ্যে (within fifteen days) চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত (কাজ বন্ধ থাকবে নাকি চলবে) প্রদান করতে হবে।
রিটের গ্রাউন্ড: বাস্তবে দেখা যায়, রাজউক কাজ বন্ধের নোটিশ দেয়, মালিক জবাবও দাখিল করেন, কিন্তু রাজউক মাসের পর মাস কোনো সিদ্ধান্ত বা চূড়ান্ত আদেশ দেয় না। ফলে নির্মাণকাজ বেআইনিভাবে আটকে থাকে। আইনে নির্ধারিত ১৫ দিনের সময়সীমা পার হয়ে গেলে রাজউকের এই নিষ্ক্রিয়তাকে (Statutory Inaction) চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে 'Writ of Mandamus' দায়ের করা যায়। আদালত তখন রাজউকের নিষ্ক্রিয়তা অবৈধ ঘোষণা করে মালিককে তার সম্পত্তির অধিকার (সংবিধানের ৪২ অনুচ্ছেদ) রক্ষার্থে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি প্রদান করেন।
"Jurisdictional Fact" বা ভিত্তিহীন অভিযোগে নোটিশ প্রদান:
রাজউক হয়তো অভিযোগ করলো যে আপনি অনুমোদিত নকশার বাইরে কাজ করছেন, তাই কাজ বন্ধের নোটিশ দেওয়া হলো। কিন্তু বাস্তবে আপনি অনুমোদিত নকশা শতভাগ অনুসরণ করছেন। এ ক্ষেত্রে রাজউকের আদেশের আইনি ভিত্তি বা 'Jurisdictional Fact'-ই অস্তিত্বহীন।
বাস্তব উদাহরণ: বনানীতে আপনি রাজউকের অনুমোদিত নকশা অনুযায়ী ২য় তলার ছাদ ঢালাইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। হঠাৎ রাজউক থেকে নোটিশ এলো যে আপনি সেটব্যাক (Setback) লঙ্ঘন করেছেন, তাই কাজ বন্ধ। আপনি যদি একজন রেজিস্টার্ড স্থপতির (Architect) বা থার্ড-পার্টি ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্মের সার্টিফিকেট দিয়ে প্রমাণ করতে পারেন যে কোনো লঙ্ঘন হয়নি, তবে হাইকোর্ট রাজউকের এই নোটিশকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত (Malafide) ও ভিত্তিহীন আখ্যা দিয়ে এর ওপর স্থগিতাদেশ দেবেন।
'যুক্তিযুক্ত আদেশের' অভাব (Absence of Speaking Order):
আপনি নোটিশের বিস্তারিত জবাব ও নকশার সপক্ষে প্রমাণ দেওয়ার পর রাজউক যদি আপনার কোনো যুক্তি খণ্ডন না করে কেবল এক লাইনে লেখে- "আপনার জবাব সন্তোষজনক নয়, নির্মাণকাজ বন্ধ রাখুন", তবে আইনি ভাষায় এটি একটি 'Non-Speaking Order'। উচ্চ আদালতের সুপ্রতিষ্ঠিত নীতি হলো, প্রশাসনিক বা আধা-বিচারিক কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করে আদেশ দিতে হবে। যুক্তিবিহীন আদেশ রিট করে সরাসরি বাতিল করা যায়।
ইমারত নির্মাণ বিধিমালা ও সামান্য বিচ্যুতির (Minor Deviation) ভুল ব্যাখ্যা:
ঢাকা মহানগর ইমারত নির্মাণ বিধিমালা এবং ড্যাপ (DAP) অনুযায়ী নির্মাণকাজে ৫% বা তার কম বিচ্যুতি থাকলে তা অনেক ক্ষেত্রেই ক্ষতিপূরণ বা জরিমানা দিয়ে নিয়মিতকরণ (Regularization) করা যায় (যা The Building Construction Act এর Section 3B(5) তেও বলা আছে)। রাজউক যদি এই ধরনের অত্যন্ত সামান্য বা ক্ষতিপূরণযোগ্য বিচ্যুতির অজুহাতে জরিমানা আদায়ের সুযোগ না দিয়ে পুরো ভবনের নির্মাণকাজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে রাখে, তবে তা 'সমানুপাতিকতার নীতি' (Doctrine of Proportionality)-এর লঙ্ঘন হিসেবে রিটযোগ্য।
উপসংহার ও করণীয়:
রাজউকের "Stop Work Notice" পেলে নির্মাণকাজ ফেলে রেখে মাসের পর মাস রাজউকের অফিসে ঘোরার কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা আপনার নেই।
আপনার করণীয়:
১. কাজ বন্ধের লিখিত নোটিশ পাওয়ামাত্রই ৭ দিনের মধ্যে আইনজীবীর মাধ্যমে দালিলিক প্রমাণসহ (অনুমোদিত নকশা, স্থপতির প্রত্যয়নপত্র) একটি শক্ত 'Show Cause Reply' রাজউকে দাখিল করুন এবং রিসিভ কপি সংগ্রহ করুন।
২. আইন অনুযায়ী জবাব দাখিলের পর রাজউককে ১৫ দিন সময় দিন সিদ্ধান্ত জানানোর জন্য (Section 3B(4) এর বিধান অনুযায়ী)।
৩. যদি ১৫ দিনের মধ্যে রাজউক কোনো চূড়ান্ত আদেশ না দেয়, বা আপনার শুনানি না করে একতরফাভাবে কাজ বন্ধের চূড়ান্ত নির্দেশ দিয়ে দেয়, তবে আর কালক্ষেপণ না করে দ্রুত হাইকোর্ট বিভাগে রিট পিটিশন দায়ের করুন।
৪. রিট আবেদনে রাজউক যে ১৫ দিনের আইনি সময়সীমা লঙ্ঘন করেছে বা এখতিয়ার বহির্ভূতভাবে (Without Jurisdiction) কাজ বন্ধ রেখেছে, তা তুলে ধরে স্থগিতাদেশ (Stay) ও নির্মাণকাজ পুনরায় শুরুর নির্দেশনা (Direction/Mandamus) প্রার্থনা করুন।
আইনের শাসন ব্যবস্থায় কোনো কর্তৃপক্ষই নিরঙ্কুশ ক্ষমতার অধিকারী নয়; সংবিধানের ১০২ অনুচ্ছেদ নাগরিকের সম্পত্তির বৈধ অধিকার রক্ষায় সর্বদা একটি শক্তিশালী আইনি ঢাল হিসেবে কাজ করে।
মোঃ কামরুজ্জামান
অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট
এবং
মৌলিক অধিকার কর্মী।
ফোন: +৮৮ ০১৭১১ ৯৯ ৩৬ ৩৯
ইমেইল: lawyer.kamruzzaman@gmail.com