হাইকোর্টে আপনার অধিকার ও প্রতিকার (পর্ব-২)

পর্ব-২:

যদি কোন আইন, ধারা, বিধি বা প্রজ্ঞাপন মৌলিক অধিকারের সাথে সাংঘর্ষিক বা অসামঞ্জস্য হয়, তাহলে যতখানি অসামঞ্জস্য ততখানি বাতিল হয়ে যাবে।  এবং রাষ্ট্র মৌলিক অধিকারের সাথে সাংঘর্ষিক বা অসামঞ্জস্য কোন আইন বা বিধি-বিধান প্রণয়ন করবেন না। মৌলিক অধিকারের সাথে সাংঘর্ষিক কোন আইন বিদ্যমান থাকলে বা প্রণয়ন করা হলে হাইকোর্ট সেই আইন-বিধি বাতিল করে দিবে এবং নাগরিকের মৌলিক অধিকার সমুন্নত রাখবে। এখানে হাইকোর্ট নাগরিকের মৌলিক অধিকার রক্ষায় ভ্যানগার্ডের মত ভূমিকা পালন করে। সংসদ চাইলেই যেকোন আইন প্রণয়ন করতে পারবে না। এখানেই বিচার বিভাগের প্রাধান্য। আপনি একজন নাগরিক হিসাবে যদি দেখেন যে কোন আইন-বিধান আপনার জন্য নির্ধারিত সংবিধানের মৌলিক অধিকারের সাথে সাংঘর্ষিক এবং এতে আপনি সংক্ষুব্ধ, তাহলে আপনি হাইকোর্টে রিট পিটিশন দায়ের করে সেই আইন-বিধি-বিধান বাতিল চাইতে পারবেন। রিটের বক্তব্য যথাযথ প্রতিয়মান হলে হাইকোর্ট উক্ত আইন, ধারা, বিধি বা প্রজ্ঞাপন বাতিল করে দিতে পারেন।   

 

মোঃ কামরুজ্জামান, অ্যাডভোকেট, বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্ট
এবং
মৌলিক অধিকার কর্মী